বিসি রায় হাসপাতালে আরও তিন শিশুর মৃত্য়ু, অ্যাডিনোভাইরাস আতঙ্কে তোলপাড় -BTVNews24


জ্বর, সর্দি, কাশিতে শিশু মৃত্যু হয়েই চলেছে রাজ্যে। আজ, শুক্রবার আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে বিসি রায় হাসপাতালে বলে খবর। মৃতের নাম শান্তনু কীর্তনীয়া। বয়স ১ বছর ১১ মাস। দ্বিতীয়জন আয়ান মণ্ডল, বনগাঁর বাসিন্দা, দেড় বছর বয়স। আর তৃতীয় হল ঠাকুরনগরের বাসিন্দা দু’‌বছরের শিশু। আজ ভোরে মৃত্যু হয়। সুতরাং জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্টে মোট ১২৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, দুই শিশুরই জ্বর ও শ্বাসকষ্টের সমস্য়া ছিল। আবার রায়গঞ্জ মেডিক্য়াল কলেজে বৃহস্পতিবার মৃত্য়ু হয়েছে দুই শিশুর। বুধবারই বিসি রায় শিশু হাসপাতালে আসেন রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন সুদেষ্ণা রায় ও সদস্য অনন্যা চট্টোপাধ্যায়। তাঁরা সব কিছু খতিয়ে দেকে জানান, সুষ্ঠু পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসকও রয়েছেন প্রচুর। বৃহস্পতিবার সকালেও তাঁরা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তবে এই পর পর শিশু মৃত্যুর ঘটনায় অ্যাডিনোভাইরাস আতঙ্কে ভুগছেন অভিভাবকরা।

এদিকে অ্যাডিনোভাইরাসের দোসর হয়েছে নিউমোনিয়া। তার সঙ্গে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে পেডিয়াট্রিক আইসিইউ বেডের সংকট। তাই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা জানিয়ে হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শিশুর পরিবারের সদস্যরা। ইতিমধ্যেই নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে হাসপাতালগুলিকে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বি সি রায় হাসপাতালে হাওড়ার শ্যামপুর থেকে আসা চার বছরের অসুস্থ শিশুকে প্রায় ১০ ঘণ্টা বিনা চিকিৎসায় ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছিল। তবে বিসি রায় হাসপাতাল এখন শুধুই শিশু মৃত্যুর ঠিকানা হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে এক চিকিৎসক জানান, শিশু মৃত্যুর হার খুব যে একটা বেশি হয়েছে বলা যাবে না। শিশু মৃত্যু বন্ধ করা যায়নি। প্রত্যেকদিন তিনটে মৃত্যুর জায়গায় গড় চারটে হয়েছে। খুব যে মৃত্যু বেড়েছে সেটা নয়। তবে রেফারটা আগে যতটা হয়েছে, ততটা এখন হয় না। কারণ জেলাতেও অনেক বেড চালু করা হয়েছে। মনিটর রয়েছে, ভেন্টিলেটর দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যখন করোনাভাইরাস মোকাবিলা করা গিয়েছে, তখন এটাও করা যাবে। তবে অ্যাডিনোভাইরাস আতঙ্কের মধ্য়েই হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে বিতর্ক থামছে না।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup



Source link

Leave a Comment